সংবাদ সংস্থা মুম্বই: অভিনেতাদের পরিবারে জন্ম অভয় দেওলের। কাকা ধর্মেন্দ্র একসময়ের বলিউডের অন্যতম শীর্ষ তারকা। তাঁর স্ত্রী হেমা মালিনী কত বড় তারকা-অভিনেত্রী ছিলেন, সে কথাও সর্বজনবিদিত। অভয়ের দুই জ্যাঠতুতো দাদা সানি এবং ববি এখনও চুটিয়ে কাজ করছেন বলিপাড়ায়। বোন এষা দেওলকেও একডাকে গোটা দেশ চেনে বলি-অভিনেত্রী হিসাবে। এত তারকার ছড়াছড়ি যে পরিবারে, সেই পরিবারের রীতিনীতি কিন্তু মেয়েদের ব্যাপারে বেশ গোঁড়া। একথা জানিয়েছেন খোদ অভয় দেওল!
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভয় জানালেন, তাঁর পরিবার অত্যন্ত গোঁড়া। এতটাই যে সেই পরিবারের মেয়েদের বাইরে কাজ করার অনুমতি দেওয়া হলেও অভিনয় করার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জারি করা রয়েছে! 'জিন্দেগি না মিলেগি দোবারা' ছবিখ্যাত এই অভিনেতার কথায়, "ছোট থেকে একান্নবর্তী পরিবারে বড় হয়েছি। বলিউডের সঙ্গে পরিচয় ছোট্টবেলা থেকেই। তবে দেখতাম, আমাদের ছোটদের কোনও ফিল্মি পার্টিতে নিয়ে যাওয়া হতো না, তারকা-সন্তানদের সঙ্গেও বন্ধুত্ব করাও বারণ ছিল। খুব অদ্ভুত লাগত বিষয়টা। তবে এখন বুঝি, গ্রাম থেকে আসা আমাদের পরিবারের লোকজন চাইতেন আমাদের ছোটদের মধ্যে যেন গ্রামের অধিবাসীদের চিন্তাভাবনা, মূল্যবোধগুলো অক্ষুণ্ন থাকে। জাঁকজমক দেখে চোখ ধাঁধিয়ে না যায়। সেইজন্যেই ওসব করতেন তাঁরা।"
আরও বলেন, "... আমার বাবা-মা কখনওই চাননি যে যে আমি অভিনয়কে পেশা করি। ওঁরা চেয়েছিলেন আমাকে ডাক্তার, উকিল বানাতে। যদি আমার বিষয়ে সানি, ববিকে জিজ্ঞেস করা হয় তারা বলবে আমি মুখে মুখে তর্ক করি। আরও একটা ঘটনা বলি, ছোটবেলায় আমি বাঁ-হাতি ছিলাম। সেটাতে ভারি সমস্যা ছিল আমার বাড়ির লোকের। তাঁরা দিনের পর দিন ডান হাতে কাজ করিয়ে করিয়ে আমাকে ডানহাতি বানিয়ে দেন! এমনকি কেরিয়ারের প্রথমদিকে যেসব ঘরানার ছবিতে কাজ করেছিলাম তাতেও তাঁদের ঘোর আপত্তি ছিল...এইরকম আর কি!"
উল্লেখ্য, ফরজ আরিফ আনসারির পরিচালনায় 'বান টিক্কি' ছবিতে অন্যতম মুখ্যভূমিকায় দেখা যাবে অভয়কে। সে ছবিতে অভয়ের সঙ্গে দেখা যাবে জিনত আমন এবং শাবানা আজমিকে।
















